না দেব ঋষি ০৪/০৮/২৬
হ্যাঁ, শুনে শুনে এতো অভ্যস্ত যে
না, শুনতে পারি না আমরা।
হ্যাঁ - র মধ্যে কোনো লাজে রাঙা হওয়ার অবকাশ নেই। বামপদ অঙ্গুষ্ঠপরি দক্ষিণ বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ আলিঙ্গনে নিলাজ বনলতা হয়ে ওঠে না, হ্যাঁ।
অবিমৃষ্য 'না' কে যতই দাম্ভিক বলো, অফিসের দেরাজ চোখ টিপে আলতো "হাঁ" হয়ে খুলে যায় না। না-না, হ্যাঁ -র অনপেক্ষ হওয়া আর হলো না।
না, মুখের উপর বলে দিতে পারে,
তোমার চোখে কৃতঘ্ন হতে পারি। যা উপকার পেয়েছি সূর্য্য শিশিরে
জমা থাক। না, মুখের উপরে বলে দিতে পারে, যা পেয়েছি কোনো দান করোনি, এ আমার অধিকার।
না, মুখের উপর বলে দিতে পারে, রাজা পারিষদ নিয়ে পাশা ছেড়ে নেমে এসো, তুমি বিচারাধীন।
হ্যাঁ, তো প্রগলভ হয়ে তোমায় ঈশ্বর বানায়।
না, শুধু আমাকে মানায়।।
প্রতিটি সত্যিকারের সৃষ্টি এক দীর্ঘ অন্তঃসত্ত্বা সময়ের ফসল। কুন্তীর রূপক যেন মনে করিয়ে দেয়—অনেক কিছু সৃষ্টি নয়, একটি মহৎ সৃষ্টি যথেষ্ট; যদি তার মধ্যে জীবন, যন্ত্রণা ও সত্যের দীপ্তি থাকে।
ReplyDelete