বিষন্ন দুপুরে-- দেবশ্রী মজুমদার
বিষন্ন দুপুর ২৭.০৭.২০. দেবশ্রী মজুমদার কোন এক প্রাণ ভরপুর সকালে ফুটন্ত গোলাপ থমকে দাঁড়িয়েছিল বিষন্ন দুপুরে। পড়ন্ত বিকেলে সে ম্লান হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাকে ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর করেছিল তীব্র সে এক আকুল বর্ষণে। আনা, গন্ডা, কড়া, ক্রান্তি ও তিল হিসেবে তিল ধারণ ছিল না ভালো বাসার! এ কথা অকপটে যায় না বলা তবু বলি, দীর্ঘ রাত্রি যাপনের পরও! ভালো তো লেগেছিল ! তবুও কোথাও ছিল অবহেলা! শুধু মনে ছিল বাসনা, কোন ভোরে বিগত নিশি যাপনের শেষ চাল ধোয়া চন্দ্রিমা টুকু কারো জীবন ঘোলাটে দেখাবে। কারো জীবন ধবধবে সাদা, জানলার সার্সি বেয়ে আনবে সুঘ্রাণ! হে মহা প্রাণ! বলো ! কোন সূতিকাগার হতে পারে অবিমৃশ্য! বধির! প্রস্তর কঠিন! যা বিস্মৃত করে জঠর গোপন কোন সুকঠিন গ্রন্থিল স্নেহ হীন অন্ধকারে! ভেবেছি অনেক বার, চরম সত্য আসুক একান্ত আপন! সে নির্জন কপোত কুলায়ে, সে যতই কাতর হোক, নিরব অভিমানে--- নেই ভ্রাতা বান্ধব, জননী কুন্তী, কিম্বা সহোদরা আসুক সে পরম সত্য দাদুরি সঘনে, আপনার জনে--- আর কেউ নয়--- আপনার আপনারে, আপন কুলায়ে। সেই কী আসিবে তবে কোন এক অজানা প্রান্তে নিশব...