মিসক্যারেজ দেব ঋষি ০৪/০৮/২৬
স্বামী স্ত্রীকে বললেন,
ডাক্তার বললো, সাবধানে থাকতে,
ফুল রেস্ট। নাহলে মিস ক্যারেজ!
রেস্টের কথা শুনে ম্রিয়মান হলো না স্ত্রী। কান্তাপ্রেমও খুঁজে পেলো না এতটুকু।
স্বামী ফের বললেন, রেস্ট মানে পূর্ণ বিশ্রাম নয় মোটে। মগজের কাজ হবে ঠিকই। অক্ষরগুলো হবে সুস্থ। শব্দের সঙ্গে বাক্যের, বাক্যের সাথে ভাবের আনুগত্য থাকবে ঠিকই, তবে হবে না আত্মবিক্রয়।
হৃদয় দিয়ে ছুঁয়ে দেখবে ছোট বড়ো অনুভব সরিৎ সায়রে। অভিঘাত থাকবে ঢেউয়ের প্রস্তর কঠিন তলে।
তবেই জন্মাবে সুস্থ, সবল কবিতা। না হলে মিসক্যারেজ! আমরা চাইনা...। তুমিও নিশ্চয়ই চাওনা... এক তাল মাংস পিণ্ড প্রসব করতে। যার নেই মস্তিস্ক, হৃদয়বৃত্তি প্রকোষ্ঠ।
আগের কবিতা গুলো এক একটা মিসক্যারেজ। আর নয়...। শুধু কবিতা কেন? সব লেখা, যুক্তি - গদ্য - পদ্যর বেলায়ও খাটে এ সত্য।
বিশ্রাম মানে, নিজেকে তৈরি করা, তৈরি রাখা। যে মুখ তুলে সহস্র প্রখর সূর্যপ্রপাতের মুখোমুখি হওয়া যায়। যে কবিতা, লেখনী প্রসব হয়, তা দেয় হিরণ্যগর্ভের আনন্দ রতিসুখ। যে জন্মায়, সে জগদীশ্বরকেও প্রশ্ন করতে পারে। জানতে চাই, তুমি কী আদৌ আছো? কোমল পেলব চান্দ্র- স্নিগ্ধতা নিয়ে স্নান করায় আমাদের!
তাই স্বামী স্ত্রীকে বললেন, তৈরি হও, কাউকে আড়াল করতে নয়, মেঘনাদ হও। সব্যসাচী হও! মহাভাগে! শতপুত্রের জননী হতে হবে না। শুধু পঞ্চ পাণ্ডব জননী কুন্তী হয়ে, মহাভারত রচনা করো। মিসক্যারেজ নয় আর! আমি তোমার সাথে আছি।।
কেউ তো কমেন্ট করুন 🙏
ReplyDelete