বেশ আছি দেব ঋষি ০৫/০৯/২৬/প্রণাম ----- দেবঋষি 05.09.21






"এক"

নাই আর আছি

এরই কাছাকাছি 

কোথাও তো বেঁচে আছি।।

অনিল মুষল ধারা

মলয় স্নিগ্ধ হারা 

এরই মাঝে আছি না আছি।

কী সুর তোলে মধুকর প্রজাপতি 

গর্ভরেণু আজও রয় আসন পাতি।

নাই আর আছি

এরই কাছাকাছি 

কোথাও তো বেঁচে আছি।।

 "দুই"






"প্রণাম"

প্রণাম নেওয়া

আর প্রণম্য হওয়া

মাঝে মাঝে এক হয়।

গুটি পোকার জীবন চক্রে

কেউ মথ, কেউ প্রজাপতি

কেউ আবার সোনালী তন্তু হয়ে

সোনার অঙ্গে বাহারি লেবাস হয়।

শিক্ষক কখনও সাংবাদিক হলে

কোনটাই নয়।

মন ভারী দুঃখে

যমুনী উজানী বায়।



আল্লাহ ভালো রাখসিলো, বান্দায় খাইসে দেবঋষি ০২/০৯/২৬



 

আল্লাহ ভেদ করে ন্নি

ভালো রাখ্সিলো।

বান্দায় রাখ্সে নি--

বুঝোন্নি--

আল্লাহ ভালা ছিলো 

বান্দায় রাখ্সে নি।।


কথা গুলান হুনছিলা

রংপুরে কইছেন এক পোলা।

আল্লাহ ছিলো ভালা।

বান্দায় রাখ্সিনি গো

রাখ্সিনি।

 চক্কোত্তির ঝি, মাইয়া পোলা

সব চলি গেলা, বুঝোন্নি!

ছিলো আল্লায় -

শ্রদ্ধায় মাথানত চক্কোত্তি।

এপারেও ঈশ্বরে তাবরেজ 

২০১৫ দেখেছে কে কত কবরেজ,

কত মনে কতো ভক্তি।।

শিব দেব ঋষি

 



মস্তিষ্ক শিখরে স্থির 

আছে অজেয় ধীর 

সহস্র পাপড়ি যার 

অটল শিব।


কৈলাস মস্তিস্কে নীড়

 নিষ্কম্প সুগভীর

নিরাকার নির্বিকার 

পশুপতি জীব।


 পুত পুত জাহ্নবী ধারা

শতদ্রু, সিন্ধু, ঘাঘরা

শিব জটাজালে 

বহে শিরায় শিরায়।


উদ্বাহ প্রেম উন্মুখ যারা

নিত্যপুষ্প সুরভিতে তারা

আপনে আপনি হারায়। 


যত দেবদেবী এ বাসরে

শত গন্ধর্ব যক্ষ কিন্নরে

যত গায় আজি যত গীত।


তার চেয়ে ও পুষ্প শাখী

শুক সারি আর পাখি

চন্দন চর্চিত চিত।


দুহাতে পাশরি যত শত নুড়ি

বন বীথিকায় যত স্থানু কঙ্কর

 সবার মন পথে কত মোড় ঘুরি

স্থির আজও তিনি অটল শঙ্কর।।

গঙ্গা জল হাতে নিয়ে, দুর্নীতির শপথ, ভারতীয় ধর্মীয় সংস্কৃতি রক্ষায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেবশ্রী মজুমদার





গঙ্গাজল হাতে ‘কমিশন ভাগের শপথ’! উত্তর প্রদেশের শাহজাহানপুর পুরনিগমের কাউন্সিলরদের ভাইরাল ভিডিও ঘিরে সমাজমাধ্যম রীতিমতো তোলপাড়। "দিবে আর নিবে, মিলাবে মিলিবে, যাবে না ফিরে—এই ভারতের মহামানবের সাগরতীরে॥" 

‘নিগমের যা আয়, ৬০ জনে সমান ভাগ’—দাবি ভাইরাল ফুটেজে; বিপদে পড়লে একজোট থাকার শপথও। 

শাহজাহানপুর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে মোট ৬০ জন নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং ১০ জন মনোনীত সদস্য রয়েছেন। ভাইরাল ফুটেজ ২০২৫ সালের পুরোনো বলে দাবি উঠেছে। 

বিতর্কের মধ্যেই শাহজাহানপুরের মিউনিসিপ্যাল কমিশনার সৌম্যা গুরুরানি জানিয়েছেন, ভিডিওটি সম্ভবত ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে একটি ব্যক্তিগত জায়গায় ধারণ করা হয়েছিল। অর্থাৎ ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়ে তৈরি নয়; পুরনো ভিডিওই সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। সেই সময়ে অন্য একজন মিউনিসিপ্যাল কমিশনার দায়িত্বে ছিলেন বলেও তিনি জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পুর প্রশাসন।

তদন্ত হোক। কিন্তু আমার বলার জায়গা এক আত্মতুষ্টি থেকে। ভারতবর্ষ তার প্রাচীন ধর্মীয় সংস্কৃতির ধারা এখনও ধরে রেখেছে। এটা গর্বের। দুর্নীতি কোথায় নেই? কোন সরকারি আমলে নেই? আছেই তো! হাতে তুলসী, তামা ও গঙ্গাজল নিয়ে (এই তিনটি একসাথে থাকলে শালগ্রাম শিলার সমান বলা হয়।) দুর্নীতি মরে গেছে বললে বিশ্বাস করবো না। তবে, হাতে পুত পবিত্র গঙ্গা জল নিয়ে কমিশন ভাগ বা দুর্নীতির নীতিবান শপথ সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে নেই। পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেসের নিজস্ব সভায় দিদিমণি থেকে দোলাদি সবার কণ্ঠে কমিশনের পার্সেন্টেজের পক্ষে সওয়াল করতে সবাই শুনেছেন। কিন্তু এমন করে পদ্ধতি মেনে শপথ নেওয়া হয় নি। কংগ্রেস থেকে সপা, আম আদমি সব দলেই দুর্নীতি বা স্ক্যামে এমন শপথ নিতে দেখিনি। একজন তো আমাকে বললেন, আপনি শপথ করে দুর্নীতি নিয়ে বলছেন, সংবিধানের শপথ নিয়ে জনপ্রতিনিধি হয়েই তো দুর্নীতি করেন কেউ কেউ। আমি বলি আলবৎ তাই হয়। কিন্তু এত মর্যাদা সহকারে, ভারতীয় ধর্মীয় সংস্কৃতি মেনে হয় না। যাই হোক, একটা পরম্পরা বজায় থাকবে না? বলেন কী!

আমাদের শাস্ত্র কী বলে? --

শপথ নিতেই হবে। 

মনুস্মৃতি (৮.১১০) বলে,

মহর্ষিভিশ্চ দেবৈশ্চ কার্যার্থং শপথাঃ কৃতাঃ। বশিষ্ঠশ্চাপি শপথং শেপে পৈজবনে নৃপে॥

যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায়- 

মহর্ষি ও দেবতারাও কার্যসিদ্ধির প্রয়োজনে শপথ করেছেন। ঋষি বশিষ্ঠও পৈজবন রাজার কাছে শপথ করেছিলেন।

মূল বক্তব্য হলো শাহজাহান পুরের শপথকে প্রাচীন ধর্মীয় ও বিচারিক ঐতিহ্যের স্বীকৃত পরম্পরা হিসেবে দেখানো হয়েছে। 

এর ফলে ধর্মীয় সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হয়ে দেশোদ্ধার করা নয়, গঙ্গার জল স্পর্শ সহ শপথের মাধ্যমে যদি সেই কার্য সিদ্ধ হয়, শপথকারীদের পিতৃও মাতৃকুল উভয় কুলের উদ্ধার সম্ভবপর। মহাভারতের অনুশাসন পর্বে তাই তো বলা আছে। 

"ধারয়ন্ গঙ্গাং স্পৃষ্ট্বা চ স্নাত্বা চ সলিলে নরঃ।

তারয়েত্ পিতৃন্ সপ্ত সপ্ত চৈব পরান্ নরান্॥"

বাংলায় যার অর্থ হলো- 

যে ব্যক্তি গঙ্গাকে ধারণ করে, তাঁকে স্পর্শ করে এবং তাঁর জলে স্নান করে, সে নিজের সাত পুরুষ পূর্বপুরুষ এবং সাত পুরুষ উত্তরপুরুষকেও উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। দেখুন এই প্রতিবেদন যারা ভারতীয় ধর্মীয় সংস্কৃতির ধারক বা বাহক নন, তাদের জন্য নয়। আমি এমন ধারার এক সহকর্মীর কাছে শুনেছি। তার মাতুল পরলোক গমন করায় তাঁর বাড়িতে মায়ের চাপে অশৌচ ব্রত রাখতে এক প্রকার বাধ্য হয়েছিলেন। কর্মসূত্রে তাঁকে বাড়ির বাইরে আহার গ্রহণ করতে হতো। হোটেলে গিয়ে তিনি অর্ডার করেন, আমাকে তেল, রসুন, পেঁয়াজ ছাড়া নিরামিষ মাংস দেবেন। এটাও একটা সংস্কার। ক'জন রাখতে পারেন!

গেরুয়া রঙ পায়ের তলে, রক্তকরবী মঞ্চের সামনে দেবশ্রী মজুমদার

গেরুয়া রঙের অপমান প্রসঙ্গে সম্প্রতি সমালোচনায় মুখর হন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রসাশনিক বৈঠকের সামনের চলাচলের রাস্তায় পাতা হয়েছে গেরুয়া রঙের ম্যাট বা ফরাস। তার উপর দিয়ে জুতো পায়ে চলাচল করছেন সবাই। শুভেন্দু অধিকারী কী বলেছিলেন? একটু দেখে নেওয়া যাক, যাদবপুর কাণ্ডে এক সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনে‘ গেরুয়া তাণ্ডব’ শব্দবন্ধ ব্যবহারের তীব্র প্রতিবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। তিনি বলেন, "দম থাকলে লিখুন বিজেপির তাণ্ডব, শুভেন্দু বাহিনীর তাণ্ডব"। "কিন্তু পুরো গেরুয়া রং বা সম্প্রদায়কে জড়িয়ে এমন শব্দ ব্যবহার করা যায় না। তিনি উল্লেখ করেন যে, গেরুয়া রং স্বামী বিবেকানন্দ, প্রভু শ্রীচৈতন্যদেব এবং স্বামী প্রণবানন্দের ত্যাগের প্রতীক ও শৌর্য। এটি কোনো তাণ্ডবের প্রতীক হতে পারে না।" কথাগুলো সভামঞ্চের সামনে আসীন গেরুয়া বস্ত্র পরিহিত সাধু সন্ন্যাসীদের সামনেই তিনি বলেছিলেন। কিন্তু রামপুরহাটে প্রশাসনিক বৈঠকের জন্য রক্তকরবী মঞ্চের সামনের চত্বর সাদা ও গেরুয়া রঙে ঢেকে দেওয়া হয়। আর মেঝে ঢেকে দেওয়া হয় গেরুয়া ফরাসে। যার উপর দিয়ে জুতো পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন সবাই। সনাতনী শাস্ত্রের প্রসঙ্গ তুলে, মুখ্যমন্ত্রী সেদিন যা বলেন, তা অবশ্যই অকাট্য ছিলো। কুণ্ডিকোপনিষদের সন্ন্যাস-বিধিতে কাষায় বা গেরুয়া বস্ত্রের সরাসরি উল্লেখ আছে। অর্থাৎ কাষায়বস্ত্র ও বৈরাগ্য-ধ্যানময় জীবন পাশাপাশি সহবস্থান আছে। "কাষায়বাসাঃ সততং ধ্যানযোগপরায়ণঃ।" অর্থাৎ “যিনি কাষায় বা গেরুয়া বস্ত্র পরিধান করেন এবং সর্বদা ধ্যানযোগে একনিষ্ঠভাবে নিবিষ্ট থাকেন।” এখন দেখার বিষয়টি নজরে আসার পর মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি কেমনভাবে দেখেন।

রংপুর দেব ঋষি - ২৯/০৮/২৬

ধরো, কেউ ছিলো না। শুধু তুমি আর আমি। ছিলো না, কোনো মত ভাওইয়া খোঁজে নি কোন পথ। শুধু ছিলো, গাছ, ফল, ফুল লতা পাতা আর মূল। ছিলো রঙিন পাখি, গেছে অবিরত ডাকি। নাম না জানা কতো গাছালি এ সুন্দর পাহাড় সরিৎ সায়র ছিলো না কোনো মালি। যদি ভাবতে পারো, শুধু তুমি ছিলে, আর আমি। নাম গোত্র হীন জীবনে ছিলো না কোনো স্বামী। তাহলে বেঁচে যাবে কত রংপুর বেঁচে যাবে ভাওইয়া সুর। বেঁচে যাবে গণপতি, প্রীতিলতা মৃত্যুর আগে হবে না শিশুর আলামত- শিশ্নপ্রদাহ প্রিয়মে দেবে না কোনো পথ। মৃত্যুর আগে অমিয় মনটারে, জাগাবো, জাগাবো। সেই লতা পাতা সুগন্ধি ফুলে ঢাকি দেহপরে সুন্দর আগামী, কোনো নাম নেই, শুধু রব তুমি আর আমি।।

গঙ্গা জল হাতে নিয়ে, দুর্নীতির শপথ, ভারতীয় ধর্মীয় সংস্কৃতি রক্ষায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেবশ্রী মজুমদার

গঙ্গাজল হাতে ‘কমিশন ভাগের শপথ’! উত্তর প্রদেশের শাহজাহানপুর পুরনিগমের কাউন্সিলরদের ভাইরাল ভিডিও ঘিরে সমাজমাধ্যম রীতিমতো তোলপাড়। "দিবে আর নিবে, মিলাবে মিলিবে, যাবে না ফিরে—এই ভারতের মহামানবের সাগরতীরে॥" ‘নিগমের যা আয়, ৬০ জনে সমান ভাগ’—দাবি ভাইরাল ফুটেজে; বিপদে পড়লে একজোট থাকার শপথও। শাহজাহানপুর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে মোট ৬০ জন নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং ১০ জন মনোনীত সদস্য রয়েছেন। ভাইরাল ফুটেজ ২০২৫ সালের পুরোনো বলে দাবি উঠেছে। বিতর্কের মধ্যেই শাহজাহানপুরের মিউনিসিপ্যাল কমিশনার সৌম্যা গুরুরানি জানিয়েছেন, ভিডিওটি সম্ভবত ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে একটি ব্যক্তিগত জায়গায় ধারণ করা হয়েছিল। অর্থাৎ ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়ে তৈরি নয়; পুরনো ভিডিওই সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। সেই সময়ে অন্য একজন মিউনিসিপ্যাল কমিশনার দায়িত্বে ছিলেন বলেও তিনি জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পুর প্রশাসন। তদন্ত হোক। কিন্তু আমার বলার জায়গা এক আত্মতুষ্টি থেকে। ভারতবর্ষ তার প্রাচীন ধর্মীয় সংস্কৃতির ধারা এখনও ধরে রেখেছে। এটা গর্বের। দুর্নীতি কোথায় নেই? কোন সরকারি আমলে নেই? আছেই তো! হাতে তুলসী, তামা ও গঙ্গাজল নিয়ে (এই তিনটি একসাথে থাকলে শালগ্রাম শিলার সমান বলা হয়।) দুর্নীতি মরে গেছে বললে বিশ্বাস করবো না। তবে, হাতে পুত পবিত্র গঙ্গা জল নিয়ে কমিশন ভাগ বা দুর্নীতির নীতিবান শপথ সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে নেই। পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেসের নিজস্ব সভায় দিদিমণি থেকে দোলাদি সবার কণ্ঠে কমিশনের পার্সেন্টেজের পক্ষে সওয়াল করতে সবাই শুনেছেন। কিন্তু এমন করে পদ্ধতি মেনে শপথ নেওয়া হয় নি। কংগ্রেস থেকে সপা, আম আদমি সব দলেই দুর্নীতি বা স্ক্যামে এমন শপথ নিতে দেখিনি। একজন তো আমাকে বললেন, আপনি শপথ করে দুর্নীতি নিয়ে বলছেন, সংবিধানের শপথ নিয়ে জনপ্রতিনিধি হয়েই তো দুর্নীতি করেন কেউ কেউ। আমি বলি আলবৎ তাই হয়। কিন্তু এত মর্যাদা সহকারে, ভারতীয় ধর্মীয় সংস্কৃতি মেনে হয় না। যাই হোক, একটা পরম্পরা বজায় থাকবে না? বলেন কী! আমাদের শাস্ত্র কী বলে? -- শপথ নিতেই হবে। মনুস্মৃতি (৮.১১০) বলে, মহর্ষিভিশ্চ দেবৈশ্চ কার্যার্থং শপথাঃ কৃতাঃ। বশিষ্ঠশ্চাপি শপথং শেপে পৈজবনে নৃপে॥ যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায়- মহর্ষি ও দেবতারাও কার্যসিদ্ধির প্রয়োজনে শপথ করেছেন। ঋষি বশিষ্ঠও পৈজবন রাজার কাছে শপথ করেছিলেন। মূল বক্তব্য হলো শাহজাহান পুরের শপথকে প্রাচীন ধর্মীয় ও বিচারিক ঐতিহ্যের স্বীকৃত পরম্পরা হিসেবে দেখানো হয়েছে। এর ফলে ধর্মীয় সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হয়ে দেশোদ্ধার করা নয়, গঙ্গার জল স্পর্শ সহ শপথের মাধ্যমে যদি সেই কার্য সিদ্ধ হয়, শপথকারীদের পিতৃও মাতৃকুল উভয় কুলের উদ্ধার সম্ভবপর। মহাভারতের অনুশাসন পর্বে তাই তো বলা আছে। "ধারয়ন্ গঙ্গাং স্পৃষ্ট্বা চ স্নাত্বা চ সলিলে নরঃ। তারয়েত্ পিতৃন্ সপ্ত সপ্ত চৈব পরান্ নরান্॥" বাংলায় যার অর্থ হলো- যে ব্যক্তি গঙ্গাকে ধারণ করে, তাঁকে স্পর্শ করে এবং তাঁর জলে স্নান করে, সে নিজের সাত পুরুষ পূর্বপুরুষ এবং সাত পুরুষ উত্তরপুরুষকেও উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। দেখুন এই প্রতিবেদন যারা ভারতীয় ধর্মীয় সংস্কৃতির ধারক বা বাহক নন, তাদের জন্য নয়। আমি এমন ধারার এক সহকর্মীর কাছে শুনেছি। তার মাতুল পরলোক গমন করায় তাঁর বাড়িতে মায়ের চাপে অশৌচ ব্রত রাখতে এক প্রকার বাধ্য হয়েছিলেন। কর্মসূত্রে তাঁকে বাড়ির বাইরে আহার গ্রহণ করতে হতো। হোটেলে গিয়ে তিনি অর্ডার করেন, আমাকে তেল, রসুন, পেঁয়াজ ছাড়া নিরামিষ মাংস দেবেন। এটাও একটা সংস্কার। ক'জন রাখতে পারেন!

Gadget

গান্ধারীর প্রবচন : দেব ঋষি 13.11.25

 গান্ধারীর প্রবচন  দেখ, পার্থ উত্তর ফাল্গুনী নক্ষত্রে জন্ম তোমার, তুমি উচ্ছাকাঙ্খী, বুদ্ধিমান, উদ্যমী বীর।  বিবাহিত অথচ বান্ধবী  এটা কী বৎস?...

Popular