গান্ধারীর প্রবচন
দেখ, পার্থ উত্তর ফাল্গুনী নক্ষত্রে জন্ম তোমার, তুমি উচ্ছাকাঙ্খী, বুদ্ধিমান, উদ্যমী বীর।
বিবাহিত অথচ বান্ধবী
এটা কী বৎস? বলো। জানি তুমি ধীর স্থির।
উত্তরিলা এবে পার্থ, -- বৃদ্ধের তরুণী ভার্যা, আছে-- শতেক প্রমাণ। বিগতদার আমি, এক বান্ধবী রেখেছি কাছে। আমি তো হারেমে এখনো রাখিনি হাজার বাঁদি।
কেউ কেউ দেখি বাড়িয়ে বলে,
গাছে না উঠতেই এক কাঁদি।
তবুও..., অনেকরই অধিক স্ত্রী রত্ন, তুমি রাখলে দোষের কী?
এই বয়সে যা রেখেছো, বীর্যশুল্কে যদি রাখো, বলো দেখি?--
বল ও বীর্য দুই কথা, মাত:। শুধু মুদ্রার এ পিঠ আর ও পিঠ।
এতো ঐশ্বর্য কী কাজে লাগে?
যদি বসে ভাবি, বয়সের গাঁটে গাঁটে গিঁট।
পার্থর কথা শুনি, গান্ধারী বলেন, এতো রাজৈষর্য, অর্থ সে রাজকোষের জানি।
পার্থর চোখ গাণ্ডীব সম তার জ্যা সংযোজনে, তীর হইলো নিক্ষেপ।
--এক সুন্দরী বান্ধবী রেখেছি, তাতেই এতো! দেখোনি কতো লাভলী ললনা লাস্যময়ী-- শুধু দুর্যোধন জননী রহিলে, পার্থর ঘুচিবে না এই আক্ষেপ।।

No comments:
Post a Comment