Posts

এসো সুভাষ! দেবশ্রী মজুমদার

Image
এসো সুভাষ! দেবশ্রী মজুমদার যে ছেলে সব চেয়ে ভালো সে পায় না, পায় না মায়ের কোল! মাও কাঁদে, ছেলেও কাঁদে, পাতা মায়ের  আঁচল। যে ছেলে সব চেয়ে ভালো আনে, আঁধার- ঢেকে- আলো কোলের জন্য সাধে না সাধে তবু মায়ের চোখ যে তারেই খোঁজে সব পেয়েও না পাওয়ার ব্যথায় মজে -বলে আয় আয় ! আঁচল আজো ঢাকা যদি কোল না ভরে, যদি সব সব ফাঁকা আজও পথ পানে চেয়ে বাছা, আদরের ধন উষ্ণ ললাট চুম্বন মা'র সজল চোখ উদ্বাহু মূলে মণি করে রাখে,  ঘ্রাণ ভরে রাখে যেথা যত  ফুল ফোটে। সব জোটে না জোটে! হয় নি হয় নি সে তবে আয় কোল ভরে আমার এ বুকে, জড়িয়ে জঠরে রক্ত মাংস, মজ্জায় ,আরও গভীরে প্রতি নারী দুহাত বাড়িয়ে আছে আছে চেয়ে এসো সুভাষ!  সবার কোল জুড়ে যন্ত্রী হীন যন্ত্র, তন্ত্রী হীন প্রাণ- এ জেরবার! প্রাণবায়ু শুকায় হেথায় অথৈ পারাবার আজ মন্থরা কেটেছে সিঁদ প্রতি ঘরে ঘরে এসো এসো সুভাষ! মায়ের দুচোখ জুড়ে।      

ধর্ম নিরপেক্ষতা!-- দেবশ্রী মজুমদার

Image
ধর্ম নিরপেক্ষতা! --- দেবশ্রী মজুমদার যদি এদিকটায় আসো, ওদিকটা দু'হাত দূরে রেখো! তাহলে তুমি নিজেরে বলো ধর্ম নিরপেক্ষ। তা কি করে হয়? বরং এদিকে না হয় আসলে তবেই না গড্ডালিকায় ভাসলে? তুমিও সাপেক্ষ! আরেকজন তো খালাস বলেই... উঁহু, শিড় দাঁড়া নয়, তৃণভোজী ঘাড় কাতেই। দেখ বাপু! ঘাড় নিচু, কি উঁচু! বুঝি না অত কিছু! সার কথা, ধর্মেও আছি, জিরাফেও আছি! চলবে না থাকা এত কাছাকাছি? এর পর যদি বলো আছি, তো আছি! না হলে, গেলেই বাঁচি!!      

সংবিধান তোর দোহাই কেন! -- দেবশ্রী মজুমদার

Image
সংবিধান তোর দোহাই কেন! --- দেবশ্রী মজুমদার মানব না, তোরে মানব না। সংবিধান তোর দোহাই দিই! দেখতে নারে মুগুর পানা উঠন্তি মূলো পত্তনে চেনা! সরষে ফোড়ন, লঙ্কা দিই, পাতের 'পর ছ্যেঁচকি নিই! মানবো না, তোরে মানবো না।। ছ্যেঁচকি দেখে হেঁচকি ভুলি ঢেঁকুর তুলি, জোরসে বুলি মানব না, তোরে মানব না। সংবিধান তোর দোহাই দিই! হাতে নিয়ে পতাকা তেরঙ কণ্ঠে নিয়ে জাতীয় সঙ এটাই বল কম কিসে? তুই আর মুই খালু পিসে। মানছি না, মানবো না।। আছে শ্লোগান, কাপড় চাগান যতেক ছিল, ততেক পোড়ান! রাষ্ট্র এখন শোষণ যন্ত্র বুক চিতিয়ে ধর মন্ত্র - মানছি না, মানবো না। দেশের আইন, দেশের শাসন, মূলো খাওয়া আমার বারণ মানছি না মানবো না। কোনটা তেঁতো কোনটা মধু , কোন ব্যাটা সে আস্ত ভণ্ড কোন ব্যাটা সে আসতো সাধু ক্যামনে খাবে গণ্ড পিণ্ড! মানছি না মানবো না যারা মানে শুয়োর ছানা! মানছি না মানবো না! মানছি না মানবো না!      

জোড়াতালি-- দেবশ্রী মজুমদার

Image
জোড়াতালি! --দেবশ্রী মজুমদার জোড়াতালি যদি হতো জোড়া হাতে তালি বেশ হতো! এটা ঠিক গল্পের ভণিতা নয়! যে সময় পেরোচ্ছে ফেন্সিবুড়ি, তাকে গালগল্প ভেবে নিশ্চিন্তে থাকো না ক'দিন! কেউ মানা করে নি তো! নিশ্চিন্ত যাপন, চাঁদ বুড়ি উঠোন ঝাঁট দিতে এসে কি গপ্পো মেরেছিল শোনাও ছোট কিশলয়দের! তা বেশ! এমনি চলুক সময়ের গুনটানা, সময়ের হাত ধরে, তোমরা তো গুণীজন! গপ্প ভালোই মারো! পান্তারে কও পরমান্ন ! তা বেশ! এখন একটা সূঁচ দরকার! কলের সুতো আছে! চরকায় সুতোর আবেগে ফটাফট সুতো এফোঁড় ও ফোঁড় যায় না! অসময়ে সেতো বিশ... সে ত্যানাই থেকেছিল, ঢেকেছিল না ঢেকেছিল দেহ টুকু! তবুও ছটফটানি ছিল মাঝখানে। বুড়ো ঠাকুরের দু'পাতায় তার মুণ্ডুপাত হয়েছিল ঘরে বাইরে, না হয় নি, সে অন্যকথা! তবে এখন সেলাইটা দরকার, যদি ফেন্সি বুড়ির ত্যানাটা টিকে যায় এ যাত্রায়! যেখানে চাঁদ সূর্যের লড়াই, দিনের বেলায়! যেখানে টুকরো টুকরো হতে হতে ফেন্সি বুড়ির ক্যাঁথাটুকু প্রাণপণে জোড়াতালি দিতে দিতে নিঃশেষ -- অনন্যোপায় .... অনন্যোপায় পতঙ্গভুক! কি আর করতে পারো তুমি... এই তো ...

গজদন্ত-- দেবশ্রী মজুমদার

Image
গজদন্ত ---- দেবশ্রী মজুমদার হাতির দাঁত বাইরে দেখায় সেই তো সবাই আসলে চায়-- গজদন্ত মুক্তো লুকায় মুখের বাহির রয় না রয়। একই সংখ্যা লঘু হয় ওপার কিম্বা এপারে‌। সেটাই যদি হক আনে কত তফাৎ রঙের টানে! আসলে জানতে হয় জানতে হয় ক্যামনে ডিমে তা দেয়! পদ্মা আর ভাগিরথী কে আপন কে সাথী গভীরতায় বেড়ে ফারাক সংখ্যা বাড়ে সংখ্যা কমে লড়াই চলে মানুষ যমে রঙের আগুন যতই পোড়াক! তোমার জল যতই লোনা চিবুক পানে বইতে মানা!      

ডোন্ট টক...দেবশ্রী মজুমদার

Image
ডোন্ট টক... ---- দেবশ্রী মজুমদার বোনের নিজের হাতে কাঁচা লঙ্কা দলে দেওয়া আলু, মূলো, বড়ির ভাসা ভাসা টকের স্বাদের নেশায় মন যখন বুঁদ হয়ে হাঁটি হাঁটি পা পা করে টোটো তে উঠলো, তখন সামনে বসে থাকা তরুণীর ভাসা ভাসা চোখ দেখার ইচ্ছেও নেই, বয়সও নেই! তবুও কেন জানিনা, আড় চোখে বার বার দেখছিলো একজোড়া চোখ। সে যাই হোক! আমার চোখে তখন টকের নেশা। শিব নেত্র হয়ে যাচ্ছে বার বার! এক চোট ঘুম হলে ভালো হতো! ট্রেন লেইট থাকায় আপ কবিগুরু ট্রেন পেয়ে গেলাম। সিটও একটা জোগাড় হলো। আমার মাসতুতো, পিসতুতো বোন আছে। তবে সহোদরা বলতে একজন। বোলপুরে থাকে। ভাইফোঁটা উপলক্ষে যাওয়া। ইদানিং কালে বোনের শরীর ভালো যাচ্ছে না। তবে ভাইদের দেখে শরীর যেন চাঙ্গা! ভগ্নিপতি চাকুরে। অফিস যাওয়ার আগে মাংস ও পোলাও রেঁধে গেছিল। ভগ্নিপতির পুরোনো কর্মস্থল থেকে দাদা বৌদি, ননদ, ভাগ্নে, পুরোনো বাসার ভাই সবাই মিলে একরকম চাঁদের হাট! এসবের মাঝেও আমি টক ভালোবাসি তাই, টক রান্না হয়েছিল। ছিল আলুপোস্ত। পোলাওয়ের সাথে টক যায় না। এটা সবাই জানি। তাই আলাদা করে সাদা ভাত ও হয়েছিল। এবার আসি একটু অন্য প্রসঙ্গে। যদিও তার সাথে টকের সরাসরি ন...

প্রসঙ্গঃ অভিজিৎ বাবু! --দেবশ্রী মজুমদার

Image
প্রসঙ্গঃ অভিজিৎ বাবু! -- দেবশ্রী মজুমদার এ'কদিন ধরে "প্রসঙ্গ অভিজিৎ বাবু" পড়লাম। নিজের অজ্ঞতাটা অজ্ঞাত রাখতে চেয়েছিলাম। আর পারলাম না! আমিও তো বাঙালি! মাফ করবেন দাদা, দিদি ও বোনেরা। কারণ উল্টো পাল্টা একটু বকবো। যাঁরা পড়বেন না, তাঁরা বেঁচে গেলেন, তাদের ধন্যবাদ আমার প্রাপ্য। যাই হোক, আগে আমার পরিচয় দিলে, আমার অযোগ্যতা প্রমাণ হবে। অত্যন্ত অবহেলিত বৃত্তি মূলক শিক্ষার আংশিক সময়ের শিক্ষক, আংশিক সময়ের সাংবাদিক, আর কয়েকজনের গৃহ শিক্ষক। এই তো যোগ্যতা! তবে, আমার এক স্যারের কাছে নীরদ সি চৌধুরীর "ক্রেডো" পড়ার সময় প্রসঙ্গ ক্রমে জেনেছিলাম, মাননীয় নীরদ সি চৌধুরী কাজী নজরুল ইসলামের " বিদ্রোহী" কবিতা সম্পর্কে যেটি বলতে পারেন, সেটা অন্যজন বললে স্পর্ধা হয়। এই রকম ঘটনার প্রেক্ষিত কোন দিন এলে, কোন পণ্ডিত ব্যক্তি "মার্জনা করলুম" মনে মনে ভেবে চুপ থাকতে পারেন। কিন্তু, এই মুহূর্তে অন্যকে মাফ করা হবে না। অভিজিৎ বাবুর মত স্বনামধন্য ,বাঙালির গর্ব, ব্যাক্তির সম্পর্কে বলার ধৃষ্টতা আমার নেই। আমি বুঝি, অভিজিৎ বাবু আমার পাকা ধানে মই দেন নি। জানি না ভবিষ্...